• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

ওএমএসের চাল ১৫ টাকা ও আটা ১৭ টাকা!

ওএমএসসিসি নিউজ: খোলা বাজারে বিক্রি (ওএমএস) করা সরকারি চাল ও আটার দাম আবার কমেছে। প্রতি কেজি চালের দাম ৫ টাকা কমিয়ে ১৫ টাকা ও আটার ২ টাকা কমিয়ে ১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্যে গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। আর গত বুধবার থেকেই ১৭ টাকা কেজি দরে আটা বিক্রি করছে খাদ্য অধিদপ্তর। এছাড়া আগে শুধু ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে ওএমএস কার্যক্রম চললেও গত বুধবার থেকে তা উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে সরকারের গুদামে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে। সর্বশেষ ৮ মার্চের হিসাব অনুযায়ী, দেশে খাদ্যশস্যের মোট মজুদ ১৪ লাখ ৪১ হাজার টন। এর মধ্যে চাল ১০ লাখ ৭০ হাজার টন ও গম ৩ লাখ ৭১ হাজার টন। এছাড়া গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে আমন সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে। সামনেই শুরু হবে বোরো সংগ্রহ অভিযান। এ অবস্থায় গুদাম থেকে চাল বের না হলে সামনে বোরো মৌসুমে সমস্যায় পড়বে খাদ্য বিভাগ। কারণ, নির্দিষ্ট সময়ে বোরো সংগ্রহ শুরু না হলে এর প্রভাব পড়বে ধানের দামের উপর। এজন্য সরকার ওএমএসের চালের দাম কমিয়েছে। এতে একদিকে যেমন গুদাম থেকে চাল কমবে অন্যদিকে স্বল্প আয়ের মানুষ কমদামে চাল কিনতে পারবে।
খাদ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ১ জুলাই থেকে চলতি বছরের ৩ মার্চ পর্যন্ত ওএমএসে মোট খাদ্যশস্য বিক্রি হয়েছে এক লাখ ৪১ হাজার ৪৬৮ টন। এর মধ্যে চাল মাত্র এক হাজার ৩৮৫ টন ও আটা এক লাখ ৪০ হাজার ৮৩ টন। গত বছর একই সময়ে মোট বিক্রির পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার ৪১৪ টন। এর মধ্যে চাল ৬১ হাজার ৬৮৬ টন ও আটা এক লাখ ৬৮ হাজার ৭২৮ টন।
সূত্র জানায়, সরকারি গুদামে মজুদ চাল ও গমের সর্বশেষ অবস্থা বিবেচনা করে ওএমএসের চাল-আটার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। দেশে খাদ্য গুদামের ধারণক্ষমতা ২০ লাখ মেট্রিক টন হলেও বর্তমানে ১৬ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ আছে।
কর্মকর্তারা বলছেন, মজুদ চাল ও গম গুদাম থেকে বের করতে না পারলে আগামী মওসুমে ধান-চাল সংগ্রহে জটিলতা দেখা দেবে। এছাড়া খাদ্যশস্য নষ্ট হওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ